আফ্রিকা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) । আবৃত্তি – রাজীব সরকার

এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন -

রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত আফ্রিকা কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসে। জানা যায় শ্রী অমিয় চক্রবর্তীর অনুরোধে কবি এই কবিতাটি লেখেন। কবিতাটি ‘পত্রপুট’ কাব্যগ্রন্থের অন্তগর্ত। সামাজ্যবাদী শক্তির বিরূদ্ধে রবীন্দ্রনাথের বক্তব্য এই কবিতায় পরিস্ফুট। অসভ্য জাতিদের সভ্য করার অজুহাতে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলি আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে শক্তিবিস্তার করেছে। দেশীয় লোকাচারের ওপর সভ্যতার সঙ্কটময় অত্যাচারের রূপ অঙ্কিত হয়েছে এই কবিতায়।

  • শিরোনাম – আফ্রিকা
  • রচয়িতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • কাব্যগ্রন্থ – পত্রপুট
  • আবৃত্তি – শ্রী রাজীব সরকার
  • ভাবনা ও প্রকাশ ~ গুপ্তিপাড়া মিডিয়া
এই প্রতিবেদনটি শেয়ার করুন -

পাঠকের মন্তব্য

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    আরো প্রতিবেদন পড়ুন

    শ্রী জগন্নাথ ও তাঁর লোকায়ত অনুভব

    শ্রী জগন্নাথদেবের সিদ্ধধাম হিসেবে পুরী প্রসিদ্ধ। তবে বাংলায় জগন্নাথদেবের প্রভাব ও প্রতিপত্তি শিব, কালী, দুর্গা ইত্যাদির চেয়ে কোন অংশে কম নয়। সর্বোপরি শ্রীচৈতন্যদেবের ভক্তিপ্লাবনে ভেসে যাওয়া বাংলা তাঁর পথ ধরেই শ্রীজগন্নাথভক্তিতেও একুল ওকুল এক হয়ে গেছে। সে স্রোত কেবল বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বাংলার আপামর জনসাধারণের মধ্যে জগন্নাথ তাঁর স্বতন্ত্রতার চির উজ্জ্বল। বাংলার সমস্ত […]

    বাংলার প্রথম বারোয়ারি – গুপ্তিপাড়া শ্রী বিন্ধ্যবাসিনী পুজোর গল্প

    জনশ্রুতি অনুসারে, হুগলির গুপ্তিপাড়ায় স্থানীয় কিছু গ্রামবাসী এক জমিদার বাড়িতে দুর্গাপুজো দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু জমিদারবাড়ির লোকেরা তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং পুজোমণ্ডপে প্রবেশ করতে বাধা দেয় । এই ঘটনায় অপমানিত ও ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন যে, আর কখনও জমিদারবাড়ির পুজোয় যাবেন না, বরং নিজেরাই চাঁদা তুলে মায়ের আরাধনা করবেন। গ্রামের বারোজন যুবক এই উদ্যোগে […]

    কালীপুজো – বাংলার শক্তি উপাসনার সমন্বয়ধর্মী বিবর্তন

    আশ্বিনে দুর্গাপুজোর উৎসবের রেশ নিয়েই কার্তিকের অমাবস্যায় বাঙালী মেতে ওঠে শ্যামা মায়ের আরাধনায়। দুর্গাপুজোর মতই গৃহস্থ পরিবার থেকে শুরু করে মন্দির ও বারোয়ারি সর্বত্রই কালী পুজোর বিস্তার। দুর্গার মতোই কালীও বাংলার নিজের ঘরের মা হয়ে উঠেছেন আমাদের মানসপুজোয়। কালী প্রকৃতিগত ভাবে উগ্র, ভয়ঙ্করী এবং শ্মশানচারিণী। এই ভয়ানক রূপকল্পনা থেকে মমতাময়ী ঘরের মা কালী হয়ে ওঠার যাত্রা হিন্দুশাস্ত্র ও ইতিহাসের এক আকর্ষনীয় যাত্রা। শুধু ধর্মীয় পরিধি নয়, এই পরিবর্তনের পিছনে লুকিয়ে আছে বাংলার জীবনশৈলী, দর্শন ও সমাজের এক আশ্চর্য বিবর্তনের গল্প।